Latest News

ভিভিপ্যাট পরীক্ষার দাবি খারিজ করল নির্বাচন কমিশন What's New Life মৃত ব্যক্তির দেহাবশেষ থেকে জৈবসার উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বৈধতা দিল ওয়াশিংটন What's New Life শরীরের বিভিন্ন সমস্যার প্রতিরোধে নিমপাতার ব্যবহার What's New Life ইন্দোনেশিয়ায় নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষে নিহত ৬ What's New Life অ্যাপলের পণ্য বর্জনের ডাক চীনে What's New Life সার্বিকভাবে চাঙ্গা হতে শুরু করেছে ভারতের অর্থনীতি What's New Life ইভিএম যাতে সুরক্ষিত থাকে তার দায় কমিশনের : প্রণব মুখোপাধ্যায় What's New Life ১ সপ্তাহের ব্যবধানে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন কামি রিতা শেরপা What's New Life জয়ের আভাস এক্সিট পোলে, সরকার গঠনের প্রস্তুতিতে এনডিএ What's New Life আগামী ৮০ বছরের মধ্যে সমুদ্র গর্ভে তলিয়ে যাবে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল What's New Life
এইডসের দাসত্ব আর নয়

প্রেমের উষ্ণতা যখন শরীরকে আলিঙ্গন করে তখনই জন্ম নেয় যৌনতা। এই যৌনতার মাত্রাতিরিক্ত ক্ষুধা মেটাতেই

অনেকে শিকার হয় রাক্ষুসে ভাইরাসের। যার নাম এইচ আই ভি। কামনার আগুনে ভাসতে গিয়ে কখন যে তীরে এসে তরী

ডুবে যায় তার খেয়াল স্বয়ং ব্রহ্মাও রাখেন না। তাই সচেতন হতে হবে নিজেকে। কারণ, মূলত সচেতনতার

অভাবেই এই মারণ রোগ থাবা বসায় শরীরের প্রতিটি রক্তের বিন্দুতে।

আজ ১লা ডিসেম্বর, বিশ্ব এইডস দিবস। এই বিশেষ দিনকে সামনে রেখেই প্রত্যেক নাগরিকের উদ্দেশ্যে সচেতনতার বার্তা

পৌঁছে দেওয়া হল আমাদের সামাজিক কর্তব্য। এইব্যপারে আমাদের সঙ্গে রয়েছেন বিশিষ্ট ডাক্তার আকাশ নীলভট্টাচার্য

(এইমস, নিউ দিল্লি)। তাঁর থেকে জেনে নেব এইচ আই ভি, এইডসের থেকে বাঁচার কিছু সংশ্লিষ্ট পথ-

১। রোগ-শোক আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত হলেও শোকের টোটকা আমাদের নাগেলের মধ্যেই থাকে।
কিন্তু, রোগের সব টোটকা ডাক্তারি বিদ্যা দিতে পারেনা। এইব্যপারে প্রথম দরকার সচেতনতা। এইচ আই ভি
হল এমনই এক ভাইরাস যা শরীর থেকে শরীরে ধাবিত হয়। যার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
নানান রোগের বাসা হয়ে ওঠে শরীর। জ্বর, ডাইরিয়া, চর্মরোগের মত নিত্যনতুন সমস্যা একেরপর এক জুড়তে থাকে।
এক্ষেত্রে, প্রথম সাবধানতা হল, সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হবার আগে পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস রাখা প্রয়োজন।
একাধিক যৌন সঙ্গী থাকলে অবশ্যই কনডম ব্যবহার করা ভাল। নিশ্চিন্ত যৌনতাকে অহেতুক প্রশ্রয় না দেওয়াই ভাল।
কারণ, একাধিক যৌন সংস্পর্শ ডেকে আনতে পারে এইচ আই ভির মত মারণ ভাইরাসকে।

     ২। এইচ আই ভি থেকে এইডসের যাত্রাপথ কিছুটা দীর্ঘ। এক্ষেত্রে, প্রথম থেকেই যদি সঠিক চিকিৎসা করানো যায় তবে
এই ভাইরাস নাগালে থাকে। অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপির সাহায্যে এই ইনফেকশানকে বশে রাখা সম্ভব।
অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ড্রাগস এইচ আই ভির বিস্তারকে আটকাতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই, রক্ত পরীক্ষা
করার পর যদি এইচ আই ভি পসেটিভ থাকে তৎক্ষণাৎ এর চিকিৎসা দরকার। দেরি করলে এটি এইডসে
পরিণত হতে পারে।

    ৩।গর্ভাবস্থায় এইচ আই ভি ধরা পড়লে প্রথম থেকেই চিকিৎসা প্রয়োজন। সঠিক চিকিৎসা করালে হবু সন্তানের শরীরে এর
থাবা বসার সম্ভবনা অনেকাংশে কমে যায়। শতকরা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ হবু সন্তানকে এই মারণ রোগ থেকে বাঁচানো
সম্ভব হয়।

    ৪।ওরাল সেক্স থেকে এইচ আই ভির জীবাণু সাধারণত ছড়ায় না। তবে, পাড়ার সেলুন বা ছুরি কাঁচি ব্যবহারের ক্ষেত্রে
হাইজেনিক থাকা ভাল। কারণ, এইচ আই ভির পথ হল রক্ত।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Vinci Da The Curse Of The Weeping Woman Dumbo Jyeshthoputro Avengers: Endgame Student Of The Year 2 Blank Chhota Bheem: Kung Fu Dhamaka Konttho Pokemon Detective Pikachu
What's New Life
Inline
Inline