Latest News

সাপ্তাহিক লগ্নফল – ২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর What's New Life জাতীয় পতাকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য মেহবুবা মুফতির What's New Life 🇧🇩 আজ সন্ধ্যায় উপকূল অতিক্রম করতে পারে নিম্নচাপ What's New Life হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি কপিল দেব What's New Life ৩ নভেম্বর লঞ্চ করবে Micromax 'in' স্মার্টফোন What's New Life বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ আছড়ে পড়তে চলেছে বাংলায় What's New Life 🇧🇩 বন্ধ নৌ-চলাচল কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়ায় What's New Life পুজোয় বদলালো কলকাতা মেট্রোর 🚇 সময়সূচি What's New Life ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড মুম্বাইয়ের শপিংমলে What's New Life আইপিএল ২০২০🏏 ৮ উইকেযে জয় পেলো হায়দ্রাবাদ What's New Life
www.webhub.academy

মানবশরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমতি পেল কোভ্যাক্সিন

মানবশরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমতি পেল ভারতের প্রথম ভ্যাকসিন। কোভ্যাক্সিন নামে করোনার এই ভ্যাকসিনটি মানবদেহে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে পরীক্ষা চালানোর অনুমতি দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনেরাল অব ইন্ডিয়া। আগামী জুলাই থেকে সারাদেশে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে এই ভ্যাকসিন। হায়দরাবাদভিত্তিক ভারত বায়োটেক এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চের (আইসিএমআর) যৌথ উদ্যোগে করোনার এই প্রতিষেধকটি তৈরি করা হয়েছে।
এই ভ্যাকসিনের বিষয়ে ভারত বায়োটেকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. কৃষ্ণ এল্লা বলেন, আমরা কোভিড-১৯ প্রতিরোধ করতে দেশের প্রথম টিকা আবিষ্কার করতে পেরে গর্বিত। কোভ্যাক্সিন নামের এই টিকা তৈরির কাজে আইসিএমআর এবং এনআইভি আমাদের সহযোগিতা করেছে। এর আগে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এই ভ্যাকসিনের প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং নিরাপত্তা ও প্রতিরোধ ক্ষমতা সংক্রান্ত ট্রায়ালের ফলাফল সরকারকে জমা দেয় বায়োটেক। এরপরেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (ডিসিজিআই) মানবদেহে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা চালানোর অনুমতি দিয়েছে। চলতি বছরের ৯ মে আইসিএমআর ভারত বায়োটেকের এই গবেষণার কথা জানায়। দু’মাসেরও কম সময়ে মানবদেহে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হয়েছে তারা। তবে টিকা তৈরির পরবর্তী পদক্ষেপগুলোতে কতটা সময় লাগতে পারে কিংবা ভ্যাকসিনটি কবে বাজারে আসতে পারে সে বিষয়টি এখনও পরিস্কার নয়।

প্রথম দফায় মানবদেহে প্রয়োগ করে দেখা হবে এটি কেমন আচরণ করছে বা কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটছে কিনা। সেক্ষেত্রে ওষুধের উপাদানে পরিবর্তন আনা হতে পারে। এরপর দ্বিতীয় দফায় ভ্যাকসিনটি কী পরিমাণে মানবদেহে ব্যবহার করতে হবে তা নির্ধারণ করা হবে। সবমিলিয়ে মাস চার থেকে পাঁচ মাস সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে যে, দেশে ৩০টি গ্রুপ ভ্যাকসিন উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

Facebook Comments

KOLKATA WEATHER
www.webhub.academy
Thappad Shubh Mangal jyada Saavdhan Bhoot Love Aaj Kal Porshu Love Aaj Kal (लव आज कल 2) Professor Shonku Bombshell The Grudge অসুর রবিবার Sanjhbati
What's New Life