Latest News

Akshara Centre in collaboration with David & Goliath Films & Swayam launches the Bengali Version of the Video #LockdownOnDomesticViolence What's New Life আফ্রিকা থেকে ধেয়ে আসছে আরেকটি পঙ্গপালের একটি বিশাল ঝাঁক What's New Life প্রবল বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা মেঘালয়ে What's New Life রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৩,৮১৬ দেশে করোনা আক্রান্ত ১,৩৮,৮৪৫ জন What's New Life করোনা🦠 সন্দেহে মৃত্যু গড়ফা থানার কনস্টেবলের What's New Life Jamai Sasthi offerings by Rollick 🍧 What's New Life সাপ্তাহিক লগ্নফল - ২৪ থেকে ৩০ মে What's New Life দেশজুড়ে আবারো একদিনে রেকর্ড সংখ্যক করোনা🦠 আক্রান্ত What's New Life আম্ফানের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত পশ্চিমবঙ্গ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি What's New Life 🍽️ SEVEN REASONS TO ORDER FROM AMINIA DURING THIS LOCKDOWN PERIOD What's New Life

জানেন কি করোনাভাইরাস কবে কে আবিস্কার করেন?

মানবদেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব প্রথমবার আবিষ্কার করেছিলেন। নারী ভাইরোলজিস্ট  ডা. জুন আলমেইড। স্কটল্যান্ডের একজন বাসচালকের মেয়ে ভাইরাস ইমেজিংয়ের একজন অগ্রণী ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন, যার কাজ এখন আবার এই ভাইরাস মহামারীর সময় আলোচনায় এসেছে।
কোভিড-১৯ একটি নতুন ধরনের ভাইরাস, তবে এটি করোনাভাইরাসের একটি প্রজাতি। ১৯৬৪ সালে লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালের গবেষণাগারে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত করেছিলেন ডা. আলমেইডা।
১৯৩০ সালের জুন মাসে হার্টে জন্মগ্রহণ করেন এই ভাইরোলজিস্ট এবং গ্লাসগোর আলেজান্দ্রা পার্কের কাছাকাছি টেনেমেন্ট এলাকায় বড় হন। আনুষ্ঠানিক বিদ্যার ক্ষেত্রে তিনি সামান্য পড়াশোনা করেই স্কুল ছাড়েন। তবে গ্লাসগো রয়্যাল ইনফার্মারিতে হিস্টোপ্যাথলজিতে গবেষণাগার কর্মী হিসেবে তিনি কাজ শুরু করেন। পরে তিনি পেশাগত জীবনের উন্নতি করার জন্য লন্ডনে পাড়ি জমান। ১৯৫৪ সালে তিনি এনরিক আলমেইডাকে বিয়ে করেন, যিনি ছিলেন একজন ভেনিজুয়েলান শিল্পী। চিকিৎসাবিষয়ক লেখক জর্জ উইন্টারের তথ্যানুযায়ী, এই দম্পতি ও তাদের মেয়ে কানাডার টরন্টোতে পাড়ি জমান।
সেখানে অন্টারিও ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে ডা. আলমেইডা একটি ইলেকট্রনিক মাইক্রোস্কোপ নিয়ে তার অসামান্য দক্ষতার বহির্প্রকাশ ঘটান। তিনি এমন একটি পদ্ধতির সূচনা করেছিলেন, যা অ্যান্টিবডি সংহত করার মাধ্যমে ভাইরাসগুলোকে আরও পরিষ্কারভাবে দেখা সম্ভব হয়।
তার এই প্রতিভার বিষয়টি যুক্তরাজ্যের মনোযোগ কাড়ে। ১৯৬৪ সালে তাকে লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে কাজ করার জন্য প্রলুব্ধ করে যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে আনা হয়।
ফিরে আসার পর তিনি ডক্টর ডেভিড টাইরেলের সঙ্গে কাজ করতে শুরু করেন, যিনি উল্টশায়ারের সালসবিউরিতে সাধারণ ঠাণ্ডা নিয়ে গবেষণা করছিলেন। উইন্টার বলেন, ‘ডক্টর টাইরেল স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে অনুনাসিক ধোয়ার ওপর গবেষণা করছিলেন। তাদের দল দেখতে পায় যে, তারা বেশ কয়েকটি সাধারণ সর্দি-কাশির ভাইরাস বৃদ্ধি করতে পারছিলেন, কিন্তু সবগুলো নয়। তার মধ্যে একটি বিশেষভাবে নজরে আসে। সেটির নাম দেয়া হয়েছিল বি-৮১৪।’

‘তারা দেখতে পান, তারা সাধারণ সর্দি-কাশির কয়েকটি লক্ষণ স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে তৈরি করতে পারলেও সেগুলো তাদের নিয়মিত কোষের ভেতরে আর বেড়ে উঠতে পারে না। তবে স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে প্রত্যঙ্গের মধ্যে কিছু বৃদ্ধি দেখিয়েছিল। সেটা দেখে অবাক হয়ে ড. টাইরেল ভাবলেন, এটা কোনো বৈদ্যুতিক মাইক্রোস্কোপ দিয়ে পরীক্ষা করে দেখা উচিত।’ ‘তারা সেসব নমুনা জুন আলমেইডাকে পাঠান, যিনি নমুনার মধ্যে ভাইরাস কণা দেখতে পান। সেগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন, এগুলো ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মতো দেখতে হলেও পুরোপুরি তা নয়’-বলেন জর্জ উইন্টার। আসলে জুন আলমেইডা যা শনাক্ত করেছিলেন, সেটি পরবর্তীতে বিশ্বে করোনাভাইরাস হিসেবে পরিচিত লাভ করে।

ড. আলমেইডা ইঁদুরের মধ্যে হেপাটাইটিস এবং মুরগির সংক্রামক ব্রঙ্কাইটিস নিয়ে গবেষণা করার সময় এর আগে এ ধরনের কণা দেখতে পান। তা সত্ত্বেও, পিয়ার-রিভিউড জার্নালে পাঠানো তার নথিটি বাতিল করে দেয়া হয়। কারণ হিসেবে রেফারিরা বলেন, ‘তিনি যেসব ছবি দিয়েছেন, সেগুলো ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস কণার বাজে ধরনের চিত্র।’ বি-৮১৪ আবিষ্কারের বিষয়টি ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি করোনাভাইরাসের প্রথম যে চিত্র দেখেছিলেন, সেটি প্রকাশিত হয় দুই বছর পরে জেনারেল ভাইরোলজি জার্নালে। উইন্টারের তথ্য অনুসারে, ড. টাইরেল ও ড. আলমেইডার পাশাপাশি অধ্যাপক টনি ওয়াটারসন, যিনি সেন্ট থমাসের দায়িত্বে ছিলেন, তারা ওই ভাইরাসের নামকরণ করেন ‘করোনাভাইরাস’, কারণ ভাইরাসের চারপাশ জুড়ে অনেকটা মুকুটের মতো সাদৃশ্য ছিল। ড. আলমেইডা পরবর্তীতে লন্ডনের পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিকেল স্কুলে কাজ করেন, যেখানে তিনি ডক্টরেট সম্মানে ভূষিত হন। ওয়েলকাম ইনস্টিটিউটে পেশাজীবন শেষ করেন আলমেইডা। সেখানে ভাইরাস ইমেজিংয়ের ক্ষেত্রে তার নামে বেশ কয়েকটি স্বত্বাধিকার হয়। ওয়েলকাম ছেড়ে দেয়ার পর ড. আলমেইডা একজন ইয়োগা প্রশিক্ষক হন। তবে পরবর্তীতে ১৯৮০-এর দশকে তিনি এইচআইভি ভাইরাসের ইমেজিংয়ের ক্ষেত্রে একজন পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন।

২০০৭ সালে, ৭৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন জুন আলমেইডা। মৃত্যুর তের বছর পরে তিনি তার সেই পথিকৃৎ কাজের জন্য অবশেষে স্বীকৃতি পাচ্ছেন, যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি সম্পর্কে বুঝতে সহায়তা করছে।

Facebook Comments

KOLKATA WEATHER
Thappad Shubh Mangal jyada Saavdhan Bhoot Love Aaj Kal Porshu Love Aaj Kal (लव आज कल 2) Professor Shonku Bombshell The Grudge অসুর রবিবার Sanjhbati
What's New Life