Latest News

“সাপ্তাহিক লগ্নফল” ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর What's New Life CHIC AFFAIR- THE UNMISSABLE FESTIVE SHOPPING EXPERIENCE/EXTRAVAGANZA What's New Life নেক্সট জেনারেশন ভিডিয়ো প্ল্যাটফর্ম উন্নত করতে মাইক্রোসফটের সঙ্গে যুক্ত হল ইরোজ নাও What's New Life Khadim’s completes its #LetsTakeAStep campaign with great success What's New Life The return of the iconic love saga-“Ekhane Aakash Neel” What's New Life রাবণের চরিত্রে দেখা যেতে পারে বাহুবলী প্রভাষকে What's New Life কি থাকছে ৬টি ক্যমেরার স্মার্টফোন ‘ভিভো ভি১৭ প্রো-এ What's New Life বাংলায় এনআরসির দরকার নেই : অমিত শাহকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় What's New Life লেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে যে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ What's New Life প্রায় দু'মাস ধরে লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে দেশ ছাড়লেন​ পাক মানবাধিকার কর্মী গুলালাই ইসমাইল What's New Life
প্রায় ৩০০০ রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার

রাখাইনে জাতিগত নিধন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে ৩৫৪০ জনকে ফেরত নেবে মিয়ানমার।​

রাখাইনে জাতিগত নিধন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে ৩ হাজার ৫৪০ জনকে ফেরত নেবে মিয়ানমার।​
বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আগামী ২২ আগস্ট প্রাথমিকভাবে তিন হাজার ৫৪০ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার।

বাংলাদেশ থেকে পাঠানো ২২ হাজারের বেশি রোহিঙ্গার তালিকা থেকে মিয়ানমার ৩৫৪০ জনকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য বাছাই করেছে। এদের আগামী সপ্তাহে ফিরিয়ে নেয়া হবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মিয়ান্ট থো জানিয়েছেন, আগামী ২২ আগস্ট বাছাই করা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছেন তারা।
বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, ছোট পরিসরে নতুন করে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কাউকে জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। বাংলাদেশ একটি নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন ছাড়া আর কিছুই চায় না।

তবে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী তিন মাসে মিয়ানমারে সেনা নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নেয় ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এদের মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা নারী গর্ভবতী অবস্থায় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এর আগে ১৯৬৮ সাল থেকে বাংলাদেশে আশ্রিত রয়েছে আরও অন্তত চার লাখ রোহিঙ্গা। নতুন করে অনুপ্রবেশের পর গত ২০ মাসে এখানে জন্ম নিয়েছে আরও প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শিশু। জানা গেছে, ক্যাম্পগুলোতে প্রতিদিন গড়ে জন্ম নিচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ শিশু।​

এতসংখ্যক শিশুর জন্ম দেশের উপর বড় ধরনের একটি চাপের প্রভাব। ভবিষ্যতে এই চাপ ভয়াবহ আকারও ধারণ করতে পারে। এরপরেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। মিয়ানমারের সঙ্গে প্রত্যাবাসন চুক্তি হলেও এই নিয়ে দেশটি নীরব ভূমিকাই পালন করে যাচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ মিয়ানমারের উপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের উপরই নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমেই রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ।​
কূটনীতিক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে অন্যথায় বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এত সংখ্যক শিশু কিশোরদের নাগরিকত্ব নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে।​

তারা বলছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া নিবন্ধনভুক্ত চার লাখ রোহিঙ্গা পরিবারে আরও এক লাখ শিশু জন্ম নিয়েছে। এছাড়া ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে যে সাত লাখ রোহিঙ্গা এসেছে এদের মধ্যেও ২ লাখ ৪০ হাজার শিশু-কিশোর রয়েছে।​
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব বলেছেন, রোহিঙ্গাদের শিশু জন্ম দেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দিচ্ছে কিছু সংখ্যক এনজিও। তারা রোহিঙ্গা শিশুদের এবং মায়েদের জন্য সামান্য পরিমাণে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করছে।​
নিজস্ব লাভের আশায় এ ধরনের উৎসাহ দিচ্ছে এনজিওগুলো। তারা মনে করছে, সন্তান হলেই তার জন্য আলাদা ভরণপোষণ পাওয়া যাবে। ফলে সরকারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে জন্ম নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হলেও তারা সেটি মানছে না।​

প্রায় ৩০০০ রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার

অভিবাসন ও শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে দ্রুত দিকনির্দেশনা দেওয়া উচিত। এখন যেমন প্রাপ্তবয়স্কদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে, সেভাবে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া শিশুদেরও নিবন্ধন করা হবে কি না সে বিষয়ে সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
তিনি বলেন, বাবা-মা রোহিঙ্গা হওয়ায় এ দেশে জন্ম নেওয়া তাদের শিশুরাও স্বাভাবিকভাবেই রোহিঙ্গা বা মিয়ানমারের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে। তারা এ দেশে জন্ম নেওয়ার সুবাদে জন্মসূত্রে বাংলাদেশি হবে না। তবে বর্তমান পরিস্থিতি একটু অন্যরকম। তারা এখানে অস্থায়ীভাবে রয়েছে।​
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আটকে পড়া বিহারিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আগপর্যন্ত তাদের বিহারি হিসেবেই আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সে সুযোগ নেই, এই শিশুরা রোহিঙ্গা হিসেবেই তালিকাভুক্ত হবে।’

আসিফ মুনীর বলেন, ‘যদি কোনো কারণে তাদের এই দেশে থেকে যেতেই হয়, তাহলে সেটা অনেক পরের বিষয়। এছাড়া মিয়ানমারের সঙ্গে যদি কখনো এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, তাহলে এসব শিশুর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে, তা গুরুত্ব দিতে হবে। আবার যেসব শিশু বাবা-মা ছাড়া আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে এসেছে, তাদের কে গ্রহণ করবে, এসব বিষয়ও আলোচনায় থাকতে হবে। এখন পর্যন্ত মনে হয়, এই শিশুদের রোহিঙ্গা বা মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবেই দেখা হবে।’​
তিনি বলেন, ‘যেসব শিশু বাংলাদেশে জন্ম নিচ্ছে, তাদের তালিকা তৈরি করা উচিত। নাগরিকত্ব নিয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সেই তালিকা যেন বাংলাদেশের কাছে থাকে। এসব শিশুর জন্ম তারিখ, ব্লাড গ্রুপ চেক করে রাখাসহ প্রয়োজনে তথ্য থাকা উচিত।’
রোহিঙ্গা শিশুরা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাবে কি না জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম বলেন, রোহিঙ্গা শিশুদের নাগরিকত্বের বিষয়ে এ মুহূর্তে কিছু বলা সম্ভব নয়। এটি পুরোপুরি সরকারের পলিসির ওপর নির্ভর করছে।

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও কূটনৈতিক বিশ্লেষক ওয়ালি উর রহমান বলেন, তাদের এ দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার কোনো সুযোগ এখনো নেই। তবে এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো নির্দেশনা নেই। ফলে পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে সরকারের পলিসির ওপর। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা না করলে আমাদের নাগরিক জীবনে ভয়াবহ চাপ পড়বে।
উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মঈনউদ্দিন বলেন, একটি ক্রাইটেরিয়া ছিল জন্ম নিবন্ধনের সার্টিফিকেটে একটি সিল থাকবে, সেখানে লেখা থাকবে তারা মিয়ানমারের নাগরিক। ওই জন্ম নিবন্ধনের কাজটাও চলছিল শুধু নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের জন্য। কিন্তু এই নিবন্ধিতদের বাইরেও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা ছিল, যাদের বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। এবার এই রোহিঙ্গা আসার পর থেকে কক্সবাজারের পুরো জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়াটাই বন্ধ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা রোহিঙ্গাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করছি আগে। এরপর সরকার যেভাবে নির্দেশনা দেবে, সেভাবেই কাজ হবে। তবে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের জন্ম নিবন্ধনের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো ইনস্ট্রাকশন নেই।

এ দিকে রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজেও উদ্বিগ্ন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দিয়ে রোহিঙ্গা শিশুদের ওপর জরিপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় এনজিওদের কার্যক্রমের ওপরও নজর রাখতে বলেছেন।​
প্রধানমন্ত্রী ব্রুনাই থেকে ফিরে সংবাদ সম্মেলনেও রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অধিক জন্মহারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এতে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। তাই দ্রুত এদের ভাসানচরে প্রত্যাবাসনের সমর্থন আদায় করতে হবে।​
কক্সবাজার পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. পিন্টু কান্তি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, রোহিঙ্গারা যখন বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে আসে, তখন প্রথম তিন মাসে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল ৩৪ হাজার ৪৮০ জন গর্ভবতী নারীর। তার মধ্যে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব হয় সাড়ে পাঁচ হাজার শিশু আর বাকিগুলো হোম ডেলিভারি হয়।​

ছবি সংগৃহিত

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

গোত্র Angel Has Fallen The Angry Birds Movie Dream Girl Chhichhore Section 375 পরিণীতা ভালো মেয়ে খারাপ মেয়ে আড্ডা It: chapter two Ready or Not
What's New Life
Inline
Inline