Latest News

সমলিঙ্গের বিয়েকে এশিয়ায় প্রথম বৈধতা দিল তাইওয়ান What's New Life ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে সমুদ্রসীমায় মার্কিন রণতরি What's New Life ফের ক্ষমতায় আসছেন মোদি সমীক্ষা আইপিএসওএস এর What's New Life আজ থেকে শুরু বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম What's New Life নেপালের ধাদিং জেলায় যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ What's New Life কেদারনাথ মন্দিরের মোদির যাত্রা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ইসিকে চিঠি তৃণমূলের What's New Life ইরাকে ভোট, মার্কিন সেনা নিষিদ্ধের দাবিতে What's New Life ভোট দিলেন তারকারা What's New Life বিজেপি ক্যাম্পে আগুন, নির্বাচনি এজেন্টকে মারধর What's New Life “সাপ্তাহিক লগ্নফল” What's New Life
এই আট ধরনের খাবার থেকে যে ক্যান্সার হতে পারে তা প্রমাণিত আর টিউমার বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে সবসময় সাবধান করে আসছেন।

স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইটের দেওয়া তথ্য মতে, ক্যান্সার হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে জিনগত সমস্যা, জীবনযাপন, ধূমপান, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, কিছু নির্দিষ্ট সংক্রমণ,বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদানের কারণে হওয়া বিভিন্ন পরিবেশগত সমস্যা ইত্যাদি অন্যতম।

গবেষণা বলছে, ভুলভাল খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব একজন ব্যক্তির ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম প্রধান দুটি কারণ। ভরসার কথা হল বিষয়টা আপনার নিয়ন্ত্রণে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে ধূমপান বর্জন করা ছাড়াও আরওকয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা উচিত। যেমন- স্বাস্থ্যকর ওজনবজায় রাখা, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা, পুষ্টিকর খাবার, বিশেষত উদ্ভিদ ভিত্তিক খাবার খাওয়া ইত্যাদি।

‘ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার রিসার্চ ফান্ড’য়ের মতে, আমেরিকাতে ২০শতাংশ ক্যান্সার রোগীরই রোগাক্রান্ত হওয়ার কারণশারীরিক পরিশ্রমের অভাব, মেদ, অতিরিক্ত মদ্যপান ও অপুষ্টি। সবগুলো কারণই মোকাবেলা করা সম্ভব, তাই খাদ্যাভ্যাস থেকে বাদ দিতে কিছু খাবার।

প্রক্রিয়াজাত ও কৃত্রিম চিনি: শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত চিনি ক্যান্সার কোষেরপ্রিয় খাবারগুলো মধ্যে অন্যতম। অর্থাৎ এটি ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিতে সহায়ক। মেডিসিন বিভাগে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত জার্মান চিকিৎসক ওটো ওয়ারবার্গ ১৯৩১
সালে প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন যে টিউমার ও ক্যান্সারকোষ বেড়ে উঠতে উচ্চ মাত্রায় ‘ফ্রুক্টোজ’যুক্ত চিনির উপরনির্ভরশীল। তাই প্রক্রিয়াজাত কিংবা কৃত্রিম চিনির পরিবর্তে মধু, গুড়,ম্যাপল সিরাপ ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।

প্রক্রিয়াজাত মাংস: যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউনিভার্সিটি অফহাওয়াই’য়ের করা এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাত মাংস অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় প্রায় ৬৭ শতাংশ।এতে থাকে উচ্চমাত্রায় রাসায়নিক পদার্থ ও খাদ্যসংরক্ষক। আরও থাকে নাইট্রেইট, যা এর স্বাদ বাড়ায়।তবে ‘কারসিনোজেন’ ধরনের বিষ হিসেবে এর পরিচিতআছে।

স্মোকড মিট’ বা কাঠের ধোঁয়ার প্রস্তুতকৃত মাংস খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য সুবিধার নয়, কারণ এই ধরনের খাবার তৈরির সময় মাংসে ‘টার’ অর্থাৎ ধোঁয়া থেকে সৃষ্টিবিষাক্ত পদার্থ শোষণ করে নেয়।

তাই খেতে হবে চর্বিহীন মাংস অথবা মাংস ঘরেই রাঁধতে হবে।

চাষ করা মাছ: বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করা মাছ যেমন-স্যামন, অত্যন্ত জনাকীর্ণ পরিবেশে বড় হয়। মাছ চাষেরক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবির আক্রমণথেকে বাঁচতে ব্যবহার হয় বিভিন্ন জীবণুরোধকারী ওষুধ,কীটনাষক ও অন্যান্য ‘কারসিনোগেনিক’ রাসায়নিকউপাদান। প্রাকৃতিক মাছের তুলনায় চাষ করা মাছেওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণও কম থাকে। তাই যতটা সম্ভব নদী বা সমুদ্রের মাছ খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

আচার ও ধোঁয়ার প্রস্তুতকৃত খাবার: এসব খাবারে সাধারণত খাদ্য সংরক্ষক উপাদান যেমন, ‘নাইট্রেইট’ থাকে। দীর্ঘদিন এসব খাবার খেলে ওই খাদ্য সংরক্ষক উপাদানগুলো শরীরে জমা হতে থাকে। ফলে এক সময় এই বিষাক্ত উপাদানগুলো কোষের উপর ক্ষতিকর প্রভাবফেলে এবং ক্রমেই ক্যান্সারের দিকে এগিয়ে যায়।

আবার ধোঁয়ার প্রস্তুতকৃত খাবার উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করা হলে এতে থাকা ‘নাইট্রেইট’ পরিণত হয় আরও বেশিক্ষতিকর ‘নাইট্রাইটস’য়ে। তাই এ ধরনের খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

হাইড্রোজেনেইটেড অয়েল বা ট্রান্স-ফ্যাট: মানুষের তৈরিএই উপাদান রাসায়নিক গঠন পরিবর্তন করে দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত করা হয়। আবার এর গন্ধঢাকতে ও স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয় রাসায়নিক পদার্থ।

গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে, বাণিজ্যিক ভাবে প্রক্রিয়াজাত করা খাবারে থাকা ‘হাইড্রোজেনেইটেড’ ওআংশিক ‘হাইড্রোজেনেইটেড’ উদ্ভিজ্জ তেল স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় দ্বিগুণ। তাই এর পরিবর্তে ব্যবহার করতে হবে ‘এক্সট্রা-ভার্জিন অলিভ অয়েল’, ‘এক্সট্রা-ভার্জিন কোকোনাট অয়েল’ কিংবা ‘পাম অয়েল’

আলুর চিপস: ‘হাইড্রোজেনেইটেড ভেজিটেবল অয়েল’য়েভেজে তৈরি করা হয় এই চিপস, সঙ্গে থাকে অতিরিক্ত লবণ।

‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন’য়ে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন মাত্র ১ আউন্স চিপস খেলেইবছরে গড়ে প্রায় দুই পাউন্ড ওজন বাড়তে পারে।পাশাপাশি এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ট্রান্স-ফ্যাটও থাকে,যা কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। আর লবণে থাকাসোডিয়াম বাড়ায় রক্তচাপ। আলুর চিপসকে মচমচে বানানোর জন্য উচ্চ তাপমাত্রায় ভাজা হয়। এতে‘অ্যাক্রিলামাইড’ নামক ‘কারসিনোজেন’ ধরনের বিষাক্ত উপাদান তৈরি হয়। যা সাধারণত সিগারেটে মেলে।
এজন্য দোকান থেকে চিপস কেনার পরিবর্তে ঘরেই চিপসবানিয়ে খাওয়া অভ্যাস করতে হবে।

মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন: খাওয়া সহজ এবং তুলনামূলক ভাবে স্বাস্থ্যকর একটি স্ন্যাকস পপকর্ন। তবে,ঝামেলা হল এর প্যাকেটে। বেশিরভাগ মাইক্রোওয়েভ পপকর্নের প্যাকেটের গায়ে থাকে ‘পারফ্লুরোঅক্টানোইক’অ্যাসিড নামক রাসায়নিক
উপাদান। যা স্তন, বৃক্ক,মুত্রথলি, কোলোরেক্টাল, প্রোস্টেট, ফুসফুস, থাইরয়েড, লিউকেমিয়া এবং লিম্ফোমা ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

পরিশোধিত সাদা আটা:
আটা পরিশোধনের সময় এর প্রায় সকল পুষ্টিগুণই নষ্ট হয়ে যায়। পরে একে ক্লোরিন গ্যাসের সাহায্যে ব্লিচ করাহয় ক্রেতার চোখে আকর্ষণীয় করার জন্য। এই আটারগ্লাইসেমিক ইনডেক্সের মাত্রাও অনেক বেশি। অর্থাৎ শরীরে পুষ্টি সরবরাহ ছাড়াই ইনসুলিনের মাত্রা হুট করেবাড়িয়ে দিতে পারে।

তাই পরিশোধিত সাদা আটার পরিবর্তে গম, কাঠবাদাম বাবার্লির আটা খাওয়া ভালো।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Vinci Da The Curse Of The Weeping Woman Dumbo Jyeshthoputro Avengers: Endgame Student Of The Year 2 Blank Chhota Bheem: Kung Fu Dhamaka Konttho Pokemon Detective Pikachu
What's New Life
Inline
Inline