Latest News

এখনো জ্বলছে ব্রাজিলের আমাজন What's New Life কাশ্মীর নিয়ে উস্কানিমূলক ট্যুইট, পাকিস্তানের ২০০টি ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড What's New Life চায়ের দোকানে ঢুকে তিনি নিজের হাতে চা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী What's New Life বাংলাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৬০,০০০ What's New Life নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন মিকা সিং What's New Life সেপ্টেম্বরেই রাফায়েল জেট পাবে আইএএফ What's New Life কাশ্মীরের এই অবস্থার জন্য দায়ী ​ব্রিটেন : আয়াতুল্লাহ খামেনি What's New Life এক সপ্তাহ হসপিটালে থাকার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় What's New Life মিয়ানমারের শান রাজ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ৩০ সেনা What's New Life ‘নো টাইম টু ডাই’- এ শেষ বারের মতো দেখা যাবে বন্ড চরিত্রে ড্যানিয়েলকে What's New Life
কর্ণাটকে সপ্তমবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ার সম্ভাবনা

কর্ণাটকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ভেঙে গেছে। গত ২৩ জুলাই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারাস্বামীর সরকার আস্থা ভোটে হেরে গেলে সরকার ভেঙে দেন স্পিকার। এরপর গভর্নরের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
বিধানসভায় আস্থা ভোটে কংগ্রেসের জোট সরকারের পক্ষে পড়ে ৯৯টি, অপরদিকে ১০৫টি ভোট পড়ে বিজেপির পক্ষে। জোট সরকারের বিরুদ্ধে আস্থাভোটে জেতার পর কর্ণাটকের গভর্নর বাজুভাই বালার সঙ্গে রাজ্যের বিজেপি প্রধান ও সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা দেখা করেন।

কিন্তু আস্থা ভোটে জয়ের ৪৮ ঘণ্টা পরেও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহর সবুজ সংকেত পাননি ইয়েদুরাপ্পা। ফলে এই মুহূর্তে কর্ণাটক রাজ্য সরকারহীন। এ পরিস্থিতিতে কর্ণাটকে সপ্তম বারের মতো রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে। কারণ সরকার গঠন না করলে আর কোনো উপায় থাকবে না বিজেপির।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্ণাটকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ফেলতে বিজেপি যতটা তৎপরতা দেখিয়েছে, গড়তে ততটা সক্রিয়তা দেখাচ্ছে না। উল্টে ধীরে চলো নীতি নিয়েছে তারা।

১৯৭১ সালে প্রথমবার কর্ণাটকে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছিল। শেষবারের মতো ২০০৭ সালে এখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছিল। ক্ষমতার লোভে দলত্যাগ করেন নেতারা। কর্ণাটকেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। এবার দলবদল করালেও বিধায়কদের সরকারিভাবে নিজেদের দলভুক্ত করতে পারেনি। এ কাজের অনেকটাই নির্ভর করছে কর্ণাটক বিধানসভার স্পিকার কেআর রমেশকুমারের সিদ্ধান্তের ওপর।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে ফিরে এসেছেন কর্ণাটকের কংগ্রেস ও জেডিএস বিদ্রোহীরা। স্পিকার তাদের বিধায়ক পদ খারিজ করে দিলে, দলে নিয়ে বিজেপির কোনো লাভ হবে না। এমনকি উপনির্বাচন হলেও বিজেপি এদের প্রার্থী করতে পারবে, কিন্তু জিতলে মন্ত্রী করতে পারবে না। তাই এদের দলে নেয়া তখন বোঝা হয়ে যাবে।
এদিকে স্পিকার রমেশকুমারকে নানাভাবে হেনস্থা করেছেন বিদ্রোহী বিধায়করা। এমনকি তার নামে বার বার সুপ্রিম কোর্টে নালিশ জানিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলের অধিকাংশের মতে, স্পিকার এসব বিরোধীদের বিধায়ক পদ বাতিল করতে পারেন। আর এতে সমস্যায় পড়বেন বিধায়করা। কারণ আগামী ৫ বছরের মধ্যে তারা আর মন্ত্রী হতে পারবেন না।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এ অবস্থায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে ৬ মাস পর নতুন করে বিধানসভার ভোট হলে, বিজেপির অনেক বেশি লাভ হবে।

ছবি সংগৃহিত

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Super 30 The Lion King Mission Mangal Batla House শান্তিলাল ও প্রজাপতি রহস্য প্যান্থার সামসারা Once Upon a time in Hollywood Fast and furious: Hobbs and Shaw
What's New Life
Inline
Inline