Latest News

কক্সবাজারে প্রতিকূল আবহাওয়ার বিপর্যস্ত প্রায় ৫০০০ রোহিঙ্গা What's New Life সিরিয়া ত্যাগের ঘোষণা হিজবুল্লাহর​ What's New Life আগামী দিনে যে ৫টি বৈশিষ্ট্য আনতে চলেছে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার What's New Life জোকোভিচের পঞ্চম উইম্বলডন জয় What's New Life পাইরেসির শিকার হৃত্বিকের সুপার ৩০ What's New Life মুম্বাইয়ে চারতলাবিশিষ্ট বহুতলে ধস, আহত ২ আটকে ৪০ What's New Life সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ সরকারি অফিসে What's New Life ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা পাকিস্তানের What's New Life লোকসভায় পাস এনআইএ সংশোধনী বিল What's New Life ভয়াবহ বন্যায় আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন নেপালের What's New Life
সুপ্রিম কোর্টে তিরস্কৃত নির্বাচন কমিশন

 

চলমান লোকসভা নির্বাচনের মধ্যে ভারতের রাজনীতিকদের মধ্যে একটা সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে, কখনো কখনো তিরস্কারের মাত্রা বিদ্বেষের সীমা ছাড়িয়ে যায়। এবার সুপ্রিম কোর্টে তিরস্কৃত হলো নির্বাচন কমিশন। ভোটের সময় লাগাতার বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য চললেও তা নিয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায়, সোমবার (১৫ এপ্রিল) শীর্ষ আদালত এই মন্তব্য করে। রাজনীতিকদের বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের জেরে ভোটের আগে যেভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পরিবেশ, সেখানে নির্বাচন কমিশনের করণীয় অনেক কিছুই রয়েছে বলে মনে করে আদালত। অথচ, এখনো পর্যন্ত সেরকম কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি তাদের। তাই আদালতের প্রশ্ন, এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা নির্বাচন কমিশনের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে, নাকি ঘুমানো? যদিও নির্বাচন কমিশন জানায়, তাদের হাতে ক্ষমতা সীমিত।

নির্বাচনি আচরণ বিধির তোয়াক্কা না করে গত কয়েকদিনে একাধিক রাজনীতিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে দিয়েছেন জনমনে। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি শীর্ষ আদালতে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন হরপ্রীত মনসুখানি নামের এক প্রবাসী ভারতীয়। তাতে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি কমিটি গড়ার আহ্বান জানান তিনি, যাতে গোটা নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় নজর রাখা যায়। আবার খতিয়ে দেখা যায় নির্বাচন কমিশনের অবস্থানও। সোমবার হরপ্রীত মনসুখানির আবেদনটির শুনানি করছিল প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। সেখানেই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। যদিও কমিশনের তরফে সাফাই দিয়ে বলা হয়, ‘এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা সীমিত। বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের জন্য আমরা কাউকে নোটিশ দিতে পারি। চেয়ে পাঠাতে পারি জবাবদিহি। কিন্তু কোনো দলের স্বীকৃতি বাতিল করার অধিকার নেই আমাদের। কোনো প্রার্থীর মনোনয়নও বাতিল করতে পারি না। শুধুমাত্র সতর্কতা জারি করতে পারি আমরা। ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে বড়জোর অভিযোগ দায়ের করতে পারি।’ নির্বাচনি প্রচারে বেরিয়ে সম্প্রতি বিতর্কিত মন্তব্য করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বিরোধীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা আলিকে বিশ্বাস করেন। আমাদের বিশ্বাস বজরঙ্গবলিতে।’

অন্য দিকে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বহুজন সমাজ পার্টি নেত্রী মায়াবতী আবার সহরানপুর ও বরেলির জনসভা থেকে ভোট ভাগাভাগি নিয়ে মুসলিমদের উদ্দেশে বার্তা দেন। দুজনকেই নোটিশ দেয় নির্বাচন কমিশন। তার পর আর কোনো পদক্ষেপ করা হয়নি। সেই নিয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন আদালতে জানায়, ১২ এপ্রিলের মধ্যে জবাব দিতে হবে বলে মায়াবতীকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বহুজন সমাজবাদী পার্টির নেত্রীর লিখিত জবাব হাতে পাননি তারা। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সাফাই মানতে চাননি আবেদনকারী হরপ্রীত মনসুখানির আইনজীবী সঞ্জয় হেগড়ে। তার দাবি, ৩২৪ ধারায় নির্বাচন কমিশনের হাতে ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। চাইলে তা প্রয়োগ করা যেতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিকে আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। সেখানে তাদের ক্ষমতা পর্যালোচনা করে দেখা হবে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Super 30 Article 15 Kabir Singh দুর্গেশরের গুপ্তধন ভুতচক্র প্রাইভেট লিমিটেড বিবাহ অভিযান Spider Man : Far from home Annabelle Comes Home Yesterday
What's New Life
Inline
Inline