Latest News

এখনো জ্বলছে ব্রাজিলের আমাজন What's New Life কাশ্মীর নিয়ে উস্কানিমূলক ট্যুইট, পাকিস্তানের ২০০টি ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড What's New Life চায়ের দোকানে ঢুকে তিনি নিজের হাতে চা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী What's New Life বাংলাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৬০,০০০ What's New Life নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন মিকা সিং What's New Life সেপ্টেম্বরেই রাফায়েল জেট পাবে আইএএফ What's New Life কাশ্মীরের এই অবস্থার জন্য দায়ী ​ব্রিটেন : আয়াতুল্লাহ খামেনি What's New Life এক সপ্তাহ হসপিটালে থাকার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় What's New Life মিয়ানমারের শান রাজ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ৩০ সেনা What's New Life ‘নো টাইম টু ডাই’- এ শেষ বারের মতো দেখা যাবে বন্ড চরিত্রে ড্যানিয়েলকে What's New Life
গৃহ নির্মাণের জন্য ‘রেন ওয়াটার হার্ভেস্টিং’ বাধ্যতামূলক তমলুকে

জলের কষ্ট পুরো ভারতে প্রকট হয়েছে চলতি বছ­রে। দক্ষিণবঙ্গে ভরা বর্ষায় এবার দেখা নেই বৃষ্টি­র। স্বাভাবিক ভাবেই ভূগর্ভস্থ​ জলের​ স্তর নিয়ে​ চিন্তিত পরিবে­শবিদেরা।​ জলের​ স্তর কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে রাজ্য​ সরকা­রের উদ্যোগে চালু রয়ে­ছে ‘জল ধর, জল ভর’ প্রকল্প। এবার এ ব্যাপারে আরেক ধাপ উদ্যো­গী হয়েছে তমলুক পুরসভা। গৃহ নির্মাণের জন্য রেন ওয়াটার হার্ভেস্টিং’’ ব্যবস্থাকে বাধ্যতামূলক করেছে তারা। পুরস­ভা কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবা­রই একটি নির্দেশনা জা­রি করে জানিয়েছে, শহরে কেউ কোনো নতুন বসতবাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা করলে তাকে বাড়িতে বৃষ্টির​ জল​ সংস্করণ করে তা ভূগর্ভস্থ করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। বাড়ির নকশায় তার উল্লেখ থাকতে হবে। তবেই মিলবে বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন। পুরস­ভা সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রকৌশলীরা বাড়ির নকশা তৈরির সময় ওই ব্যবস্থা তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে বাসিন্দাদের জানাবেন এবং নকশা বানিয়ে দেবেন।​
কিন্তু কীভাবে হবে বৃ­ষ্টির​ জল​ সংরক্ষণ?​
তমলুকের পুরপ্রধান রবিন্দ্রনাথ সেন​ বলেন, নতুন বাড়ি তৈরির সময় সাধারণত বাড়ির পাশেই চৌবাচ্চা তৈরি করে তাতে ইট, পাথর ধোয়া হয়। বাড়ি নির্মাণের পর ওই চৌবাচ্চার নীচে এবং পাশের দেয়ালে ছিদ্র করে দিতে হবে। আর বা­ড়ির ছাদ ও সংলগ্ন এলা­কার বৃষ্টির​ জল​ পাই­পের মাধ্যমে ফেলার ব্­যবস্থা​ করতে হবে। চৌ­বাচ্চার ফুটো দিয়ে​ জল​ ধীরে ধীরে চুঁইয়ে মাটিতে মিশে​ ভূগর্ভস্থ জলের​ সঞ্চয় বাড়াবে। এতে অতিরিক্ত খর­চও হবে না।

পুরসভা এবং স্থানীয় সূত্রের খবর, প্রাচীন শহর তমলুকের বাসিন্দা­দের পানীয় জলের চাহিদা মেটানোর জন্য ভূগর্­ভস্থ​ জল​ তুলে সরবরা­হের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল​ প্রায় ৪০ বছর আগে। প্রথমে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর ওই জল সরবরাহ ব্যবস্থা পরিচালনা করলেও পরবর্তী সময়ে পুরসভার নিয়­ন্ত্রণে আসে পানীয় জল সরবরাহ প্রক্রিয়া। বর্তমানে শহরের প্রতি ওয়ার্ডে একাধিক পাম্প হাউসের সাহায্যে ভূগ­র্ভস্থ​ জল​ তুলে পাই­পলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি তা সরবরাহ​ করা হয়। ২০০২ সালে তমলুক জেলা সদরের স্বীকৃতির পরেই শহরে বসতবাড়ির সংখ্যা বেড়েছে। পানীয় জলের চাহিদাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।​
ফলে কমছে ভূগর্ভস্থ​ জলের​ স্তর। এই পরিস্থিতিতে শহরের ভূগর্ভ­স্থ​ জলের​ ​ সঞ্চয়​ বৃদ্ধির লক্ষেই বৃষ্টির জল​ ধরে তা ভূগর্ভস্থ করার পরিকল্পনা নিয়েছেন​ পুরসভা কর্তৃপক্ষ।​
পুরপ্রধান বলেন, ভূগর্ভস্থ জলের​ স্তর বৃ­দ্ধির এবং পানির অপচয় বন্ধ করতে​ বৃষ্টির​ জলের​ সংরক্ষণ জরুরি। তাই শহরে নতুন বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে বৃষ্টির​ জল​ ধরে রেন ওয়াটার হারভেস্টিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
পুরপ্রধানের কথায়, নতুন বাড়ি নির্মাণের ক্­ষেত্রে পুরসভার কাছে বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন করার আগেই বৃষ্টি­র​ জল​ ভূগর্ভস্থ করার ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে কি না,​ তা খতি­য়ে দেখা হবে। মঙ্গলবার থেকেই এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। এজন্য পুরসভার অনুমোদিত ইঞ্জিনিয়ারদের কাছ থেকে পরামর্শ পাওয়া​ যাবে।

ছবি সংগৃহিত

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Super 30 The Lion King Mission Mangal Batla House শান্তিলাল ও প্রজাপতি রহস্য প্যান্থার সামসারা Once Upon a time in Hollywood Fast and furious: Hobbs and Shaw
What's New Life
Inline
Inline