Latest News

সাপ্তাহিক লগ্নফল- ১৯ থেকে ২৫ জানুয়ারি What's New Life ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ ৩০ জানুয়ারির পরিবর্তে ১ ফেব্রুয়ারি What's New Life চীন-মিয়ানমার ৩৩টি চুক্তি স্বাক্ষর What's New Life আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং-এর কড়া সমালোচনায় নির্ভয়ার মা আশা দেবী What's New Life পুলিশি জেরায় জেরবার বিজেপি নেতা মুকুল রায় What's New Life পুতিন বিরোধী বিক্ষোভের ডাক রাশিয়ায় What's New Life দাবানলের পর অস্ট্রেলিয়ায় এবার বন্যার শঙ্কা What's New Life ‘আমি দাঁড়াতাম না ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের পাশে, যারা দেশ ভাগ করতে চায় : কঙ্গনা রানাউত What's New Life ৩ মাসের জন্য ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের আওতায় দিল্লি What's New Life কাশ্মীরে ‘অজ্ঞাত রোগে’ আক্রান্ত হয়ে অন্তত ১০ শিশুর মৃত্যু What's New Life

জেএনইউ ঘটনার প্রতিবাদে রণক্ষেত্র যাদবপুর

জেএনইউ (জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়) ছাত্রছাত্রীদের ওপর নির্মম অত্যাচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে গোটা দেশ। বাদ যায়নি শহর কলকাতাও। গেরুয়া বাহিনীর বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের ওপর এই বর্বরোচিত হামলার অভিযোগ ওঠার পর থেকেই নিন্দায় সরব হয়েছে শহরের ছাত্রসমাজ। জেএনইউতে হামলার বিরুদ্ধে সোমবার শহরের বিভিন্ন প্রান্তে দলমত নির্বিশেষে মিছিল করেছে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। তবে এদিন সব থেকে বেশি উত্তেজনা ছড়িয়েছে সুলেখা মোড়ে তিনটি মিছিলের মুখোমুখি হওয়াকে কেন্দ্র করে। সোমবার সন্ধ্যে বেলায় বাঘাযতীন এর দিক থেকে বিজেপির একটি মিছিল যাচ্ছিল সুলেখা মোড়ের দিকে। ঠিক একই সময়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সুলেখা মোড়ের দিকে আসছিল বামেদের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের দুটি মিছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সুলেখা মোড়ে তিনটি মিছিল মুখোমুখি হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুলেখা মোড়ে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পরিমাণ পুলিশ বাহিনী। উত্তেজনার আশঙ্কা করে আগে থেকেই তৈরি করা হয়েছিল শক্ত ব্যারিকেড। তারপরও এদিন তিনটে মিছিল মুখোমুখি হয়ে যাওয়ায় রীতিমতো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ বাহিনীকে। সূত্রে খবর, প্রথমেই ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে আসার চেষ্টা করছিল বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বারবার তাদের আটকানোর চেষ্টা হলেও মিছিলের থাকা কর্মী-সমর্থকরা সেই বাধা উপেক্ষা করে ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে আসার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ পুলিশের। তখনই মিছিলকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। লাঠিচার্জের মুখে পড়ে পিছু হটে বিজেপি কর্মীরা।প্রাথমিকভাবে পিছু হটলেও ওই মিছিল থেকে পড়ুয়াদের উদ্দেশ্য করে কটাক্ষ চলতে থাকে বলে অভিযোগ। এর পরেই সুলেখা মোড়ে তৈরি হয় ব্যাপক উত্তেজনা। রণক্ষেত্র পরিস্থিতি ভাঙতে এরপর ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। যদিও পুলিশ নির্বিচারে তাদের উপর লাঠি চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া। এমনকি পুরুষ পুলিশকর্মীরা মহিলাদের গায়ে মেরেছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এদিন ওই এলাকায় দায়িত্বে ছিলেন কলকাতা পুলিশের সাউথ সাব আর্বান (এসএসডি) ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সুদীপ সরকার। তিনটি মিছিল ছত্রভঙ্গ হতেই দেখা যায়, ছাত্রদের দাবি মেনে প্রকাশ্যে ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে পড়ুয়াদের সামনেই লাঠিচার্জ করার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন আইপিএস সুদীপ সরকার।

তিনি জানান, তিনটি মিছিল মুখোমুখি হয়ে যাওয়ায় লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ। যদিও তাদের উপর লাঠিচার্জ এর কোন অর্ডার ছিল না ওপরওয়ালার। কিন্তু সাময়িকভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় মৃদু লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হন তারা। এজন্য প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশও করেন তিনি। এক পুলিশ কর্তা বলেন, ওই সময় পুলিশ লাঠিচার্জ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারতো। তখন পুলিশের দিকেই আঙ্গুল উঠতো। ছাত্রদের ওপর কখনই লাঠিচার্জ করার নির্দেশ দেয় না লালবাজার। কিন্তু আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এদিন পুলিশ বাধ্য হয়েছে। তবে গোটা দেশে ছাত্রদের আন্দোলন ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রের দমননীতি যেখানে প্রকাশ্যে আছে, সেখানে পড়ুয়াদের উপর লাঠিচার্জ, এরপর পুলিশের ক্ষমাপ্রার্থনা এক অনন্য নজির গড়লো বলেই মনে করছেন ছাত্ররাজনীতির পর্যবেক্ষকরা।

Comments

KOLKATA WEATHER
Professor Shonku Bombshell The Grudge অসুর রবিবার Urojahaj Sanjhbati The Body Dabangg 3 Mardaani 2 Knives Out
What's New Life